• ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ১২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Depression

রাজ্য

গভীর নিম্নচাপ, দিঘায় প্রবল জলোচ্ছ্বাস, একাধিক জেলায় কমলা সতর্কতা

বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ গভীর নিম্নচাপে পরিণত। দক্ষিণ ওড়িশা উপকূল দিয়ে স্থলভাগে ঢুকেছে। আপাতত এর অবস্থান ওড়িশা ও ছত্তীসগঢ়ের দক্ষিণে। এর প্রভাবে বাংলা উপকূলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। বুধবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি চলবে। সোমবার কলকাতা, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, নদিয়া এবং হাওড়ায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। এই জেলাগুলিতে জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা। বৃষ্টির সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়াও। আগামী বুধবার পর্যন্ত মত্স্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। পর্যটকদের জন্যও সমুদ্র স্নানে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।সৈকত শহর দীঘায় প্রচণ্ড জলোচ্ছাস, সমুদ্রের ঢেউ গার্ড ওয়াল টপকে আছড়ে পড়ছে মেরিন ড্রাইভে। পর্যটকদের ভিড় চোখে পড়ার মত। সপ্তাহান্তে যারা দীঘা গিয়েছিলেন, তারা অনেকেই উত্তাল দীঘা কে দেখার আশায় আরও দুদিন থেকে গেছেন। যদিও দীঘা শঙ্করপুর এলাকায় সমুদ্রে নামার সতর্কতা জাড়ি করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
দেশ

মার্চেই তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা, আছড়ে পড়তে পারে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট 'অশনী'

বসন্ত নিয়ে বাঙালির যতই রোম্যান্টিকতা থাকুক না কেন, প্রকৃতির কিন্তু সে দিকে ভ্রূক্ষেপ নেই। রাতে অল্পস্বল্প ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের বেলায় চড়চড়িয়ে বাড়ছে পারদ। হওয়া অফিস বলছে, কলকাতা শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এখনই ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পেরিয়ে যাওয়ার জোগাড়। অন্যদিকে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। গুজরাতের একাধিক অংশ ও পশ্চিম রাজস্থানে তাপমাত্রা ৩৯ থেকে ৪১ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজস্থান, বিদর্ভ, কোঙ্কন ও গোয়াতেও তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। এরমধ্যে সৌরাষ্ট্র-কচ্ছে সপ্তাহজুড়ে একাধিক তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কোঙ্কন-গোয়াতেও তাপ প্রবাহ বওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ, হিমাচলপ্রদেশ-সহ একাধিক জায়গাতেও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি থাকবে।মার্চের শুরু থেকেই কাঠ-ফাটা গরমে হাসফাঁস করতে শুরু করেছেন দেশবাসী। একাধিক রাজ্যে শুরু হয়েছে তাপ প্রবাহ। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলতে চলেছে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভারত মহাসাগর ও পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর উপকূলে নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে। আগামী কয়েকদিনে এই নিম্নচাপ আরও ঘনীভূত হয়ে সাইক্লোনে পরিণত হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ১৯ মার্চ পর্যন্ত আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণ বৃষ্টিপাত হতে পারে। আগামী ১৮ ও ১৯ মার্চ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। আন্দামান সাগরের উপর থেকে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপরে চলতি বছরের প্রথম নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে। এর সরাসরি প্রভাব আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের উপরই পড়বে। ঝোড়ো হাওয়া-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নিম্নচাপ থেকে তৈরি হওয়া সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম দেওয়া হয়েছে অশনী।

মার্চ ১৬, ২০২২
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপ কেটে দ্রুত পারদ নামার ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের

জাওয়াদের নিম্নচাপে রূপান্তর প্রক্রিয়ার জেরে ডিসেম্বরে এক দশকের রেকর্ড বৃষ্টি হল কলকাতায়। আজ, মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে। শুধু তা-ই নয়, এই সপ্তাহেই গাঙ্গেয় বঙ্গে রাতে পারদ পতনের ইঙ্গিত আছে।আবহাওয়ার উন্নতির সম্ভাবনার খবর শুনেই অবশ্য আমবাঙালির প্রশ্ন, বহু প্রত্যাশীত শীত আসবে কবে? আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, চলতি সপ্তাহেই গাঙ্গেয় বঙ্গে রাতের পারদ নামতে পারে। কারণ, সদ্য আগত একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর-পশ্চিম ভারতে এবং উত্তর ভারতের পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত হচ্ছে। তার ফলে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে কনকনে ঠান্ডা হাওয়া বয়ে আসবে। নিম্নচাপ বিদায় নেওয়ায় উত্তুরে বাতাসের পথে বাধাও আপাতত কেটে গিয়েছে। আকাশও ক্রমে মেঘমুক্ত হবে। পারদের পতন হতে পারে এই সব কারণেই।আবহাওয়া দপ্তরের হিসেব অনুযায়ী মহানগরে রবিবার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৬৮ মিলিমিটার। গত এক দশকে ডিসেম্বরে ২৪ ঘণ্টায় এত বৃষ্টি হয়নি। হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী গত ১০ বছরে ডিসেম্বরে ২৪ ঘণ্টায় সব থেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছিল ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর, ৩৩.৪ মিমি।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Cyclone JAWAD: গভীর নিম্নচাপ হয়েই বাংলায় প্রবেশ জাওয়াদের

শনিবারই শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। রবিবার সকালে তা আরও শক্তিক্ষয় করে সাধারণ নিম্নচাপে পরিণত হয় এবং ঘণ্টায় ১১ কিলোমিটার গতিবেগে ওডিশা উপকূলের দিকে এগিয়েছে। হাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী সোমবার ওডিশা উপকূল থেকে নিম্নচাপটি আরও উত্তরপূর্বে সরেছে। এবং ১০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টা বেগে এগোচ্ছে। আগামী ছঘণ্টায় আরও শক্তি ক্ষয় করে নিম্নচাপ অঞ্চলে পরিণত হবে বাংলার উপকূল।যার জেরে রাত থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সোমবার সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার। টানা বৃষ্টিতে কলকাতার একাধিক অঞ্চলে জল জমার সম্ভাবনা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতি কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।হাওয়া অফিসের জানিয়েছে, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, বীরভূম, বাঁকুড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমানে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশ লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, রাজ্যের উপকূলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দুই ২৪ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সোমবার বিকেল থেকে ধীরে ধীরে হাওয়ার গতি কমবে। মঙ্গলবারের পর বৃষ্টি কমতে পারে বলেই জানিয়েছে তারা।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Cyclone Jawad: বাংলায় গভীর নিম্নচাপ হয়েই প্রবেশের সম্ভাবনা জাওয়াদের, জানাল হাওয়া অফিস

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ স্থলভাগের ঠিক কোথায় আছড়ে পড়বে, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি হাওয়া অফিস। তবে, বাংলায় তা ঢুকতে পারে গভীর নিম্নচাপ হিসাবে। শনিবার সকালে হাওয়া অফিসের বুলেটিন অন্তত এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে।মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপাগরেই এখন অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড়টি। গত ৬ ঘণ্টায় ৬ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে উত্তর এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়েছে সে। শনিবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় মৌসম ভবনের দেওয়া তথ্য অনুসারে, বিশাখাপত্তনম থেকে ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, পুরী থেকে ৪৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। ৫ ডিসেম্বর তা পুরী উপকূলে পৌঁছতে পারে বলে আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের। এর পর তা ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে। তার পরই তা ক্রমশ এগিয়ে আসতে পারে বাংলার উপকূলবর্তী এলাকায়। কিন্তু বাংলায় যখন আসবে, তখন তার শক্তি কতটা থাকবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। এখনও অবধি মৌসম ভবন যা জানিয়েছে, তাতে গভীর নিম্নচাপ হয়েই জাওয়াদ-এর বঙ্গে ঢোকার সম্ভাবনা প্রবল।বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ঘণীভূত হওয়ার জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ শনিবার সকাল থেকেই মেঘলা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, বিক্ষিপ্ত থেকে হালকা বৃষ্টিও হতে পারে কলকাতায়। উপকূলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টিরও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: আবার হাজির নিম্নচাপ, বাড়ছে তাপমাত্রা, হতে পারে বৃষ্টিও

ফের নিম্নচাপের ভ্রূকুটিতে রাজ্যে বাধা পড়ল শীতের আগমন। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার থেকে রোদ ঝলমলে আকাশ ঢাকতে পারে বিক্ষিপ্ত মেঘে। যে কারণে ফের বাড়তে পারে তাপমাত্রা। এমনকী রবিবার এবং সোমবার দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলায় বিক্ষিপ্ত থেতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। যদিও শনিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। আকাশও থাকবে পরিষ্কারই। তবে তাপমাত্রা বাড়ায় কমতে পারে শীতের অনুভূতি।গত সপ্তাহের শেষের দিকে তামিলনাড়ু উপকূলে ধেয়ে যাওয়া নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণবঙ্গে ঢুকেছিল প্রচুর জলীয় বাস্প। তার জেরে আবহাওয়া ছিল মেঘলা। বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিও হয়েছিল। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে এ সপ্তাহেও। বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া সেই নিম্নচাপ অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার কথা। এর জেরেই প্রচুর জলীয় বাস্প ঢুকবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। তার জেরেই রবি এবং সোমবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। তবে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

নভেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপের প্রভাবে ফের হাওয়াবদল বঙ্গের, বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে এইসব জেলাগুলোতে

নিম্নচাপের প্রভাবে ফের হাওয়াবদল বঙ্গে। গত কয়েকদিন শীতের আমেজ থাকলেও বাতাসে জলীয় বাষ্প বাড়ায়, সেই আমেজ রাতারাতি গায়েব। কলকাতায় চারদিনে ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়েছে। শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামানের ওপরে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। যেটি ১১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার সুস্পষ্ট নিম্নচাপের পরিণত হয়েছে। তাই তামিলনাড়ু উপকূলে বৃষ্টি হবে। বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলো যেমন দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টি হবে। জলীয়বাষ্প বেশি থাকার কারণে গরমের অস্বস্তি থাকবে।আপাতত রাজ্যে উত্তুরে হাওয়া ঢোকায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পূবালি বাতাস। তার দাপটে বঙ্গোপসাগর থেকে রাজ্যে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। এর প্রভাবে শনিবার সকালেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায়। রবিবার থেকে বৃষ্টি হতে পারে। হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরেও হালকা বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও।আগামী শনিবার ও রবিবার বৃষ্টি হবে আন্দামান উপকূলে। বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলা পূর্ব মেদিনীপুর,দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও। গরমের অস্বস্তি থাকবে। সোমবার থেকে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে থাকবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে।জাঁকিয়ে শীত আসতে আমাদের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

Depression: বঙ্গে ফের নিম্নচাপে উধাও হবে শীত ভাব, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস?

উত্তুরে হাওয়া বিনা বাধায় এ রাজ্যে ঢুকতে শুরু করায় নভেম্বরের শুরু থেকেই একটা শীতের আমেজ অনুভব করছে রাজ্যবাসী। জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও রাতে তাপমাত্রা বেশ খানিকটা নামায় একটা শিরশিরানি ভাব অনুভব করা যাচ্ছে। ভোরেও হালকা শীত শীত ভাব টের পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু আগামী কয়েক দিন সেই শীতের আমেজ থেকে বঞ্চিত থাকতে হবে রাজ্যবাসীকে। কারণ, ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি। ফলে আগামী কয়েক দিন শীত শীত ভাব উধাও হতে পারে রাজ্য থেকে। বাড়তে পারে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আন্দামান সাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হতে শুরু করেছে। যা ১১ নভেম্বর আরও সুস্পষ্ট হবে। আর এই নিম্নচাপের জেরে তামিলনাড়ু উপকূলে ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।এ রাজ্যেও নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের জেরে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। শুক্রবার উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং পূর্ব মেদিনীপুরে হালকা থেকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনি এবং রবিবার হালকা বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, দুই মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগনায়। ফের শীতের আমেজ মিলতে পারে ১৫-১৬ নভেম্বর থেকে।

নভেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Weather: দুর্যোগ চলবে দিনভর, লক্ষ্মীপুজোতেও রেহাই পাবে না দক্ষিণবঙ্গ

সোমবার রাতভর বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ৪১.৭ মিলিমিটার। মঙ্গলবারও সারাদিন ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। অর্থাৎ লক্ষ্মীপুজোতেও বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই নেই। বুধবারের পর থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীপুজোর আগেই আগুন সবজি থেকে ফল, ধরলেই লাগছে ছ্যাঁকাশুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি চলবে এই কদিন। মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।মঙ্গলবার কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর। অর্থাৎ এই জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হবে। বুধবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে। এই দুই জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। বুধবার কলকাতায় ভারী বৃষ্টি না হলেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।বৃষ্টি ছাড়াও উপকূলের জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আলিপুর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর ওডিশার উপরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। তার জেরে শক্তিশালী পূবালি হাওয়া ঢুকছে রাজ্যে। ফলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Weather: সপ্তাহের শুরুতেই প্রবল ঝড়-বৃষ্টি কলকাতায়

রবিবারের বিকেলেই বদলে গেল কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়া। কালো মেঘে ঢাকল আকাশ। ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে বৃষ্টিতে সোমবারও ভিজবে তিলোত্তমা, এমনটাই খবর৷ ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এই বৃষ্টি হবে বলে জানান হয়েছে৷রবিবার থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টি সোমবার থেকে বাড়তে শুরু করেছে৷ সপ্তাহের শুরুতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। মঙ্গলবারও বৃষ্টি হবে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে, হাওয়া অফিস সূত্রে এমনটাই খবর। সোমবার উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি হবে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কোচবিহার, মালদা ও দুই দিনাজপুরে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে সোমবার খারাপ আবহাওয়ার আশঙ্কা। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত। উপকূলের জেলাগুলিতে বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাস। সমুদ্রযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের জন্য। রবিবারের মধ্যেই মাঝ সমুদ্র থেকে তাদের ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ, ন্যূনতম ৭৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৫.৭ মিলিমিটার।মৌসম ভবনের তরফে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে দুটি নিম্নচাপ রয়েছে। দক্ষিণ পূর্ব আরব সাগরে রয়েছে একটি নিম্নচাপ। অন্য নিম্নচাপটি পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ দক্ষিণ ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে অবস্থান। শক্তি হারাচ্ছে নিম্নচাপটি। অভিমুখ উত্তরপ্রদেশ। ফলে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি দক্ষিণবঙ্গে, রাত থেকে শুরু বৃষ্টি, সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়া

দুর্গাপুজো শেষ হয়ে গেলেও বৃষ্টির বিরাম নেই। লক্ষ্মীপুজোর আগে ফের দুর্যোগের ভ্রুকুটি। শনিবার মাঝরাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতায়। রবিবারও বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। তার সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা।উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে রবি ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুরে আজ ভারী বৃষ্টিপাত হবে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি ওই নিম্নচাপের প্রভাবে শনিবার সন্ধে থেকে বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়।কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টিপাতের ফলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টায় এরকমই আবহাওয়া থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ১৯ তারিখ থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আওয়া দপ্তর।টানা বৃষ্টিতে ফের দুর্যোগ, দুর্ভোগের আশঙ্কা। দ্বাদশীতে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বইতে পারে ঝোড়ো বাতাসও। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যাওয়ার ওপর জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ভারী বৃষ্টি হলে লক্ষ্মীপুজোর আগে ফের সবজি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। ক্ষতি হতে পারে ধানেরও।পুজোর আগে থেকেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ছিল দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। কপালে ভাঁজ উপকূলবর্তী জেলাগুলির বাসিন্দাদের। পূর্বাভাস সত্যি করেই দশমীতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়। কলকাতায় বৃষ্টি নামে শুক্রবার সন্ধ্যা হতেই। এবার ফের জোড়া নিম্নচাপের জের। ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস। এই মুহূর্তে নিম্নচাপটি মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর রয়েছে। যা ধীরে ধীরে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর বলছে, ১৭ ও ১৮ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হবে। তবে তার থেকেও উল্লেখ্য, এই দুই দিন ঝোড়ো বাতাস বইবে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Heavy Rain: নিম্নচাপে বিধ্বস্ত রাজ্য, রাতভর তুমুল বৃষ্টিতে ভাসছে শহর থেকে জেলা

মঙ্গলবার যে ঘূর্ণাবর্তটি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল সেটি এখন গভীর নিম্নচাপ হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের মাঝামাঝি অবস্থান করছে। ফলে বুধবারও সারা দিন কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার রাত থেকেই কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা-সহ রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে জোরালো বর্ষণ শুরু হয়। সেই বৃষ্টি বুধবার সকালেও অবিরাম চলছে। সুস্পষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতায়। বুধবার সারা দিন বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। রাতভর বৃষ্টিতে জল জমেছে কলকাতার অনেক জায়গায়। সকাল ও সন্ধ্যায় জোয়ারের জন্য লকগেট বন্ধ থাকায় জল-যন্ত্রণা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ বেটিং চক্র বন্ধের দাবিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ কালনার বাসিন্দারাজল জমেছে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার অনেক জায়গায়। উত্তরের ঠনঠনিয়া, কালাকার স্ট্রিট, মহাত্মা গান্ধি রোড, কলেজ স্ট্রিট, মধ্য কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ, তারাতলা, নিউ আলিপুর জলমগ্ন। নিউ আলিপুরে রাস্তায় ভেঙে পড়েছে গাছ। ফলে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেছে। আবহবিদরা জানাচ্ছেন, সুস্পষ্ট নিম্নচাপের জেরেই এমন পরিস্থিতি। এর প্রভাব আগামী ২৪ ঘণ্টা চলবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের কয়েকটি জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার কিছু জায়গাতেও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমানের কিছু অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। টানা বৃষ্টির কারণে বুধবার তাপমাত্রাও কমবে বেশ কিছুটা। আাবহবিদরা জানিয়েছেন, বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা কি না স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Weather: কয়েক ঘণ্টায় দক্ষিণের জেলাগুলোতে ধেয়ে আসছে বৃষ্টি

প্রবল বেগে অন্ধ্র ও ওডিশা উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় গুলাব। সরাসরি না হলেও পশ্চিমবঙ্গে এর পরোক্ষ প্রভাব পড়বে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, গুলাব-এর ফলে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে দুর্যোগের ভ্রুকুটি অপেক্ষা করছে। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে প্রবল।ইতিমধ্যেই সব রাজ্য সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত। ঘূর্ণিঝড় গুলাব ও জোড়া নিম্নচাপের জেরে লাল সতর্কতা জারি হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। গুলাবের জেরে দুর্যোগের আশঙ্কায়, কাঁচা বাড়িতে যারা থাকেন নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে। আরও পড়ুনঃ হর্ষল প্যাটেলের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে প্লে অফের দিকে এগিয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সসোমবার হালকা ও মাঝারি দু-এক পশলা বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হবে মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে দফায় দফায় বৃষ্টি হবে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়াতে। ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। বুধবার দু-এক পশলা বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে। বৃষ্টি চললেও বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। উত্তরবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দু-এক পশলা হালকা মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দুর্যোগের সময়ে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এমন বন্যাপ্রবণ এলাকার তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে। সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ, এনসিসি, রেল, মেট্রো-সহ বিভিন্ন হাসপাতালে যোগাযোগের তালিকা তৈরি রাখতে বলা হয়েছে নোডাল অফিসারদের। ত্রাণ সামগ্রী, বোট, ত্রাণ শিবিরের জন্য ক্লাব, কমিউনিটি হল স্কুল দেখা রাখতে বলা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: মহামূর্তি ধারণ করে এগিয়ে আসছে জোড়া দুর্যোগ, আতঙ্কে বঙ্গবাসী

বঙ্গের আকাশ থেকে দুর্যোগের মেঘ যেন কিছুতেই কাটছেই না। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপ গত ১২ ঘণ্টায় আরও শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। রবিবারই তা ওডিশা উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। এদিকে আজই পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে তা ওডিশা ও বাংলার মধ্যে দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করতে পারে। এই জোড়া ফলায় রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।আরও পড়ুনঃ ডিসি সাউথের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রিয়াঙ্কারনিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের জেরে আবারও ভাসতে পারে বাংলা। বিশেষ করে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির বরাতে মহালয়ার আগে যে যথেষ্ট দুর্ভোগ অপেক্ষা করছে, তা হাওয়া অফিসের সতর্কবার্তায় স্পষ্ট। সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। একাধিক জেলায় বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ায় বিপর্যস্ত হতে পারে জনজীবন। যে সমস্ত এলাকা নিচু, তা প্লাবিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। নদীও উত্তাল হবে এ সময়। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার থেকেই উপকূল লাগোয়া জেলা অর্থাৎ দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতেও রবিবার থেকেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কলকাতায় বৃষ্টি বাড়বে মঙ্গলবার। সে দিন শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু কলকাতা নয়, মঙ্গলবার থেকে দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা। বুধবারেও পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। তবে এদিন থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাতে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। সে ক্ষেত্রে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। তবে আপাতত এই বিপদ থেকে মুক্ত উত্তরবঙ্গ।আরও পড়ুনঃ বঙ্গে দুর্যোগের আগাম লাল সতর্কতা জারি নবান্নরএই পরিস্থিতিতে শনিবার থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আলিপুর। যে মৎস্যজীবীরা ইতিমধ্যে চলে গিয়েছেন, তাঁদের শনিবারের মধ্যে ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে।শুক্রবার দুপুর থেকেই চালু হয়ে গিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য তৈরি হওয়া এই কেন্দ্র। যাতে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে একসঙ্গে কাজ করা যায় তার জন্য ওই কেন্দ্রে পুলিশ, পুরসভা, এনডিআরএফ, দমকল, সিইএসসি এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্তারা থাকবেন বলে খবর।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: এখনই নিস্তার নেই, শক্তি আরও বাড়াচ্ছে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত

বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টি কমেছে কলকাতায়। বৃহস্পতিবারও দুএক পশলা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। কিন্তু দুর্যোগ থেকে এখনই নিস্তার নেই শহরবাসীর। ইতিমধ্যেই বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই জোড়া ফলায় শনিবার থেকে ফের কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি হতে পারে। ফলে শুধু কলকাতা নয় দক্ষিণের অনেক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেই আশঙ্কা।আরও পড়ুনঃ বঙ্গে দুর্যোগের আগাম লাল সতর্কতা জারি নবান্নরআলিপুর জানিয়েছে, মায়ানমার উপকূলে অবস্থান করছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। সেটি বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে। শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে সেটি শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়ে স্থলভাগের দিকে আসবে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদরা। এখনও পর্যন্ত তার গতিমুখ ওডিশার দিকে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে বাংলার উপরেও। সেই সঙ্গে মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেটি ক্রমে বাংলা ও ওডিশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হবে। এই দুই ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে শনিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতা ছাড়া দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলিতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।কলকাতা-সহ রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও জলমগ্ন। বানভাসি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়। এদিকে এখনও বাংলার জন্য খুব ভালো খবর শোনাচ্ছে না আবহাওয়া দপ্তর। বরং সপ্তাহশেষের জন্য রয়েছে অশনি সংকেত। যার জেরে বানভাসি দক্ষিণবঙ্গ ইতিমধ্যেই দেখছে সিঁদুরে মেঘ। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারও আকাশ পরিষ্কার হচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গে। এই মুহূর্তে নিম্নচাপ দক্ষিণ-পূর্ব ঝাড়খণ্ডের কাছাকাছি অবস্থান করছে। সেই সঙ্গেই মৌসুমী অক্ষরেখা নিম্নচাপ কেন্দ্র দক্ষিণ-পূর্ব ঝাড়খণ্ড থেকে বালেশ্বর হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Weather: ভোর থেকে ফের বৃষ্টি, সপ্তাহান্তে ফের ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টির সম্ভাবনা

গত দুদিনের মতো বুধবারও মেঘাচ্ছন্নই থাকবে কলকাতার আকাশ। ভোর থেকেই বিক্ষিপ্ত কয়েক পশলা বৃষ্টি হয়েছে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। বুধবার সারা দিন জুড়েই আবহাওয়া অনেকটা এ রকমই থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মেঘলা আকাশের পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘুর্ণাবর্ত এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে মৌসুমী অক্ষরেখার জেরে গত কদিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, কলকাতার পাশাপাশি বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলাতেও। সোমবার সৃষ্ট নিম্নচাপটি এই মুহূর্তে দক্ষিণবঙ্গ ও ওডিশা উপকূলে রয়েছে। ধীরে ধীরে তা উত্তর ওডিশা ও ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে। এই নিম্নচাপের ফলে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও দুই মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলা, হাওড়া, পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমানের ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশএদিকে শনিবার থেকে ফের এক ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টির সম্ভাবনা। ফলে সপ্তাহান্তে ফের দুর্যোগের পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে। উপকূলের জেলাগুলিতে বাড়তে পারে বৃষ্টি। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, ২৫ তারিখে উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার গোটা দক্ষিণবঙ্গে বাড়তে পারে বৃষ্টির পরিমাণ।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী শনিবার পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হতে পারে। তবে সেই ঘূর্ণাবর্ত শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এখন এই ঘূর্ণাবর্তের অভিমুখ বদল হয়ে যদি তা উত্তরপশ্চিম থেকে সরে এসে ওডিশা উপকূলের দিকে হয় তাহলে তা পশ্চিমবঙ্গের দিকে আসতে পারে কি না সেটাই দেখার। পশ্চিমবঙ্গের দিকে যদি এর অভিমুখ হয় তাহলে উপকূলবর্তী দুই জেলা অর্থাৎ দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ওডিশা থেকে ঘূর্ণাবর্তের অভিমুখ যদি অন্য দিকে ঘুরে যায়, সেক্ষেত্রে আমরা বৃষ্টি থেকে রেহাই পেতে পারি। সবটাই নির্ভর করছে ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি ও তার গতিপ্রকৃতির উপরে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Weather: এখনই নেই রেহাই, আজও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

এখনই রেহাই নেই বৃষ্টির হাত থেকে। আজও দিনভর চলবে বৃষ্টি। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় চলবে টানা বৃষ্টি। এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, সোমবারের ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। যার অবস্থান গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপর। এছাড়া মৌসুমী অক্ষরেখা গয়া থেকে কলকাতার ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এর ফলে বৃষ্টি চলবে। এই জোড়া ফলায় দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতে মঙ্গলবারও বৃষ্টি চলবে। তবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সঙ্গে রয়েছে বজ্রপাতেরও সতর্কতা। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, মঙ্গলবার বৃষ্টি হতে পারে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে। আজ বৃষ্টি বাড়বে পশ্চিমের জেলাগুলিতে। অর্থাৎ বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টি বাড়বে। বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দুই মেদিনীপুরে।আরও পড়ুনঃ কি কি কারণে বিজেপির রাজ্য সভাপতি হলেন সুকান্ত মজুমদার? দুর্ভোগের অন্ত নেই। নিম্নচাপের পিছনেই আরও একটি নিম্নচাপের কারণে এই সমস্যা। তবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, কলকাতায় আজ বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। বিক্ষিপ্তভাবে ভারি বৃষ্টি হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হালকা মাঝারি বৃষ্টি হবে। আজ সকালে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিক এর থেকে ৭ ডিগ্রি কম। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬. ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। এদিকে নীচু এলাকায় জল জমার সম্ভাবনাও রয়েছে অতিরিক্ত পরিমাণে। ইতিমধ্যেই কলকাতায় ঠনঠনিয়া, বেলগাছিয়া, বেহালা ফ্লাইং ক্লাব, আমহার্স্ট স্ট্রিট এলাকা জলমগ্ন।সোমবার কার্যত সারা দিনই পাম্প চালিয়ে জল গঙ্গায় ফেলা হয়েছে। তবে যেসব এলাকায় কর্মীদের দিয়ে পাম্প চালিয়ে জল বের করার চেষ্টা চলছিল, সেখানে রাত হতেই সেই কাজটা বন্ধ। কারণ ভারী বর্ষণে পাম্প করে খালের জল ফেলা সম্ভব হচ্ছে না বলেই পুরসভা সূত্রে খবর। লকগেটগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ফলে জল জমার প্রবণতা আরও বেশি দেখা যাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Heavy Rain: রাতভর তুমুল বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, জারি দুর্যোগের সতর্কবার্তা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে জেরবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা।সঙ্গে জলযন্ত্রণার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে৷ তুমুল বৃষ্টির জেরে জল জমেছে শহর ও শহরতলীতে৷ আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। মায়ানমার সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এর অবস্থান। ফলে বাড়ছে বৃষ্টির দাপট৷ গভীর নিম্নচাপ পরিণত হয়েছে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে৷ ফলে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে। রাতভর বৃষ্টি হওয়ায় শহরের বেশ কিছু অংশে জল জমে গিয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেকটাই বেশি, জানা গিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে। এদিকে, আগামী দুঘণ্টার মধ্যে ঝাঁপিয়ে বৃষ্টি নামছে দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের সকাল সাড়ে ৭টার বুলেটিন অনুযায়ী, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মুষুলধারে বৃষ্টি হবে। ভারী বৃষ্টি হবে পশ্চিম মেদিনীপুরেও। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে। বৃষ্টি হবে কলকাতায়। কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ১১৭ মিমি।আরও পড়ুনঃ কাটোয়া হাসপাতালে বৃদ্ধ রোগীর বেনজির তান্ডব, ভেঙে চুরমার লক্ষ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সামগ্রীনদীর জলস্তর বাড়বে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে। নীচু এলাকাগুলিতে জল জমার সম্ভাবনাও রয়েছে অতিরিক্ত পরিমাণে। ইতিমধ্যেই কলকাতায় ঠনঠনিয়া, বেলগাছিয়া, বেহালা ফ্লাইং ক্লাব, আমহার্স্ট স্ট্রিট এলাকা জলমগ্ন। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, কলকাতার ৭টি জায়গায় ১০০ মিমির বেশি বৃষ্টি হয়েছে। বেড়েছে গঙ্গার জলস্তরও। নিম্নচাপের পিছনেই আরও একটি নিম্নচাপের আশঙ্কা। ইতিমধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর ও পটাশপুর এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে নদী বাঁধ ভেঙে বিপাকে পড়েছে প্রায় কুড়ি হাজার পরিবার। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় সত্তর হাজার পরিবার। ফের বৃষ্টির পূর্বাভাসে কপালে চিন্তার ভাঁজ প্রশাসনের। ইতিমধ্যে সরকারি নির্দেশ মেনে উদ্ধারকার্যে নেমেছে এনডিআরঅফ টিম। চলছে জলমগ্ন এলাকা থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারের কাজ। কয়েকটি এলাকায় ত্রাণ-ও পৌঁছে গিয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। যাঁরা গিয়েছেন, তাঁদের ইতিমধ্যেই ফেরত আসার জন্য বলা হয়েছে। বজ্রপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের ঘূর্ণাবর্তের জেরে সপ্তাহান্তে ভারী বৃষ্টিতে ভিজছে শহর

ফের ঘূর্ণাবর্তের চোখ রাঙানি। হা্ওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল, শনিবার ও রবিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে একাধিক জেলায়। মায়ানমার উপকূলে ঘূর্ণাবর্তের জেরে এই ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস হাওয়া অফিসের। পূর্বাভাস অনুসারে, শনিবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টি। সকালের দিকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও বেলা গড়াতেই মেঘের ঘনঘটার মধ্যেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে গিয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে এই ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যা আরও কিছুটা এগিয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। উত্তর ওডিশা ও বাংলা উপকূলে এর প্রভাব বেশি থাকবে। মৌসুমী অক্ষরেখা জামশেদপুরের পর দীঘা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। ফলে শনিবার রাজ্যের প্রায় সমস্ত জেলাতেই দিনভর মেঘলা বা আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে।আরও পড়ুনঃ প্যান-আধার লিঙ্ক হয়নি? আপনার জন্য স্বস্তির খবরমায়ানমার লাগোয়া বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যা ধীরে ধীরে বাংলা-ওডিশা উপকূলের দিকে সরে আসছে। এর প্রভাবে শুক্রবার থেকেই বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। শনিবার মূলত পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়ায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছিল। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ারেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।রবিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং নদিয়া জেলায়। সোমবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এবং নদিয়ায়। যদিও শনিবার সকাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে কলকাতাতেও সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। একটানা ভারী বৃষ্টি না হলেও, কখনও মুষলধারায় আবার কখনও ঝির ঝির বৃষ্টিতে ভিজছে শহর।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Rain: ভাদ্রের আকাশে শ্রাবণের ধারা, সকাল থেকে ভিজছে শহর থেকে জেলা

ভাদ্রের আকাশে শ্রাবণের ঘনঘটা। মঙ্গলবার ভোর থেকেই মেঘাচ্ছন্ন কলকাতার আকাশ। সেই সঙ্গে দফায় দফায় চলছে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপের জেরে সোমবার থেকেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হচ্ছে, আজ সারাদিন চলবে এই বৃষ্টি।We are extremely pleased to nominate @SushmitaDevAITC to the Upper House of the Parliament.@MamataOfficials vision to empower women and ensure their maximum participation in politics shall help our society to achieve much more! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) September 14, 2021এদিন সূর্যের দেখা নাও পেতে পারেন কলকাতাবাসী। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। সোমবারের মতো না হলেও ঝোড়ো হাওয়া মঙ্গলবারও বইছে। তার সঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি চলতে পারে সারাদিন। কলকাতা ছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামেও চলবে বৃষ্টি। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাতেও সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার রয়েছে। নিম্নচাপের জেরে সমুদ্র উত্তাল থাকবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এখনই বৃষ্টির থেকে মুক্তি পাচ্ছে না বাংলা। বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ পরিণত হয়েছে গভীর নিম্নচাপে। মঙ্গলবারও ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে। বৃষ্টি-ঝড় মাথায় নিয়েই আজ দিন কাটবে শহরবাসীর। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে ভারী বৃষ্টিতে ভাসবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের একাধিক এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাসকাল থেকে বৃষ্টির জেরে কলকাতায় বিক্ষিপ্ত জল জমার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার তাপমাত্রা ২৬ থেকে ৩০ ডিগ্রির আশপাশেই থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুর

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে অরূপের রক্ষাকবচ বাড়ল, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বড় পদক্ষেপে নিষেধ! আদালতে কী হল?

মেসি-কাণ্ডে আপাতত স্বস্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ নভেম্বর।অরূপ বিশ্বাসকে আগেই রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাই কোর্টের একক বেঞ্চ। সেই নির্দেশই আপাতত বহাল রাখল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। অরূপের রক্ষাকবচ বাতিলের দাবিতে শতদ্রু দত্ত যে মামলা করেছিলেন, তাতেও এখনই কোনও হস্তক্ষেপ করেনি আদালত।মঙ্গলবার শুনানিতে মেসি-কাণ্ডের তদন্ত সংক্রান্ত দুটি রিপোর্ট আদালতে জমা দেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র। তিনি জানান, তদন্তে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী সবরকম সহযোগিতা করছেন। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, পুলিশ অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। তদন্ত শেষ হলে চার্জশিটও জমা দেওয়া যাবে। তবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করা যাবে না।গত ডিসেম্বর মাসে ভারতে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁকে সামনে থেকে দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক ফুটবলপ্রেমী যুবভারতীতে জড়ো হয়েছিলেন। অনেকেই মোটা টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছিলেন। কিন্তু অনুষ্ঠান ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। নির্ধারিত সময়ের আগেই যুবভারতী ছেড়ে বেরিয়ে যান মেসি। এরপর ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ ব্যাপক ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ।সেই ঘটনার পরই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার দিন মেসির সঙ্গে একাধিক বার তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সমাজমাধ্যমে মেসির সঙ্গে অরূপের ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠদের সঙ্গেও মেসির ছবি প্রকাশ্যে আসে।অব্যবস্থার অভিযোগে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মেসির ভারত সফরের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি ছিল, প্রভাব খাটিয়ে অরূপ মেসির কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।এই মামলায় অরূপ বিশ্বাস ইতিমধ্যেই একাধিক বার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দিয়েছেন। পুলিশের তলবে সাড়া দিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করার বিষয়টিও আদালতে উল্লেখ করা হয়েছে। আপাতত সেই কারণেই তাঁর রক্ষাকবচ বহাল থাকল বলে মনে করা হচ্ছে।এখন প্রশ্ন, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অরূপের বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ না করার নির্দেশের পর মেসি-কাণ্ডের তদন্ত কোন দিকে এগোয়। আগামী ১৭ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে ফের তৎপরতা, অভয়ার সঙ্গে ডিনার করা বন্ধুদের তলব! জেরার তালিকায় আর কারা?

খুলল কি ফের অভয়া ফাইলস? আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। নতুন করে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল এবং তার আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেছে। এবার ঘটনার রাতের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকায় রয়েছেন অভয়ার সঙ্গে রাতে ডিনার করা বন্ধুরাও।শুধু অভয়ার বন্ধুদেরই নয়, ঘটনার সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা নার্স, চিকিৎসক, নিরাপত্তারক্ষী এবং আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া হাসপাতালের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে জেলবন্দি আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও ফের জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।আর জি কর-কাণ্ডে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট সাতজন এবং কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে সেই পরীক্ষা এবং তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে নতুন তদন্তকারীরা সন্তুষ্ট নন বলে সূত্রের দাবি। সেই কারণেই মামলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ফের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে কারা ডিনারে ছিলেন, সেই বিষয়টিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা চিকিৎসক, নার্স এবং নিরাপত্তারক্ষীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হতে পারে। একই সঙ্গে ফের পরীক্ষা করা হবে সিসিটিভি ফুটেজও। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষকে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।অভয়ার মা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন, ঘটনার রাতে তাঁর মেয়ের সঙ্গে যাঁরা ডিনার করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকা যথাযথ ভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের আওতায় আনার দাবিও তিনি একাধিক বার জানিয়েছেন। আদালতের তরফেও ঘটনার রাতে ডিনারে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের ভূমিকা কী ছিল, তা নিয়ে তদন্তের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছিল বলে জানা যায়।এর মধ্যেই তদন্তকারী আধিকারিক বদল করা হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব থেকে সীমা পাহুজাকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সন্দীপনী গর্গকে। কয়েক দিন আগে দিল্লি থেকে চার সদস্যের একটি বিশেষ দলও আর জি কর হাসপাতালে পৌঁছয়। জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে ওই দলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, যে জায়গায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই জায়গা ফের খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। নির্যাতিতার মায়ের আবেদনের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে তদন্তকারীদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এবার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের তলব করার খবর সামনে আসায় আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে থাকা বন্ধু, হাসপাতালে উপস্থিত চিকিৎসক ও নার্স এবং প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, কর্মীদের বেতনও আটকে! সুপ্রিম কোর্টে কপিল সিব্বলের বিস্ফোরক সওয়াল

তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সব তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরছে না বলে অভিযোগ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়।শুনানিতে তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে দলের নিয়মিত খরচের হিসাব আদালতের সামনে তুলে ধরেন কপিল সিব্বল। তিনি জানান, তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে। এর ফলে দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং কর্মীদের বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।ইডির তরফে আদালতে বলা হয়, যে অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়নি, সেগুলি থেকে টাকা নিয়ে দল কাজ চালাতে পারে। তার জবাবে কপিল সিব্বল জানান, ওই অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি স্থায়ী আমানত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মোট ৩৬টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩১টি স্থায়ী আমানত এবং বাকি পাঁচটি সাধারণ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট।সিব্বলের দাবি, স্থায়ী আমানত ভাঙলে সেই টাকা ফের ফ্রিজ করে রাখা অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও জানান, পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে চারটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে সম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছে না।তৃণমূলের আইনজীবী আরও দাবি করেন, তদন্তকারী সংস্থার মামলায় অপরাধলব্ধ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। কেন এত বেশি অর্থ আটকে রাখা হয়েছে, সেই প্রশ্নও আদালতে তোলেন তিনি।দলের কর্মীদের বেতন নিয়েও আদালতে বিস্তারিত তথ্য দেন সিব্বল। তাঁর দাবি, তৃণমূলের প্রায় ২৫০ জন কর্মী রয়েছেন। চলতি মাসে তাঁদের বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বেতন-সহ অন্যান্য খরচ মেটাতে প্রায় ৫৩ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা প্রয়োজন বলে আদালতে জানান তিনি।এর পাশাপাশি দলের বিভিন্ন অফিসের খরচের কথাও আদালতে তুলে ধরেন সিব্বল। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের ১৭টি অফিস চালাতে প্রতি মাসে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হয়। নিরাপত্তা সংস্থা এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরও টাকা দিতে হয়। নির্বাচনের সময়ে যাঁরা কাজ করেছিলেন, তাঁদেরও কিছু টাকা এখনও বাকি রয়েছে বলে জানান তিনি।সিব্বল আরও জানান, দৈনন্দিন কাজ চালানোর জন্য কলকাতা হাই কোর্টের একক বেঞ্চের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে বিশেষ আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করে নির্দিষ্ট অর্থ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, যখনই অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের বিষয়ে অন্তর্বর্তী নির্দেশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তখনই আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।তৃণমূলের হয়ে নেওয়া পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার বিষয়টিও আদালতে তোলেন সিব্বল। তাঁর দাবি, ওই সংস্থা থেকে তৃণমূল একটি বিমান নিয়েছিল। সেই সংস্থার অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে বলে আদালতে জানান তিনি। তবে কী কারণে ওই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে, তা তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট করেনি বলে অভিযোগ করেন সিব্বল।মামলায় তদন্তকারী সংস্থা এবং তৃণমূলের আইনজীবীর বক্তব্যের মধ্যে যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে, মঙ্গলবারের শুনানিতে তা স্পষ্ট হয়েছে। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ রাখার যৌক্তিকতা, দলের দৈনন্দিন খরচ এবং কর্মীদের বেতন দেওয়ার বিষয়টি এখন আদালতের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

২৬ হাজার চাকরির ভবিষ্যৎ কি ফের অন্ধকারে? ডেডলাইনের আগেই বড় সিদ্ধান্ত স্কুল সার্ভিস কমিশনের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সেই প্রক্রিয়ায় ফের বড় জট তৈরি হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।দুর্নীতি ও বেনিয়মের অভিযোগের জেরে আদালতের নির্দেশে ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। এরপর শূন্যপদগুলিতে নতুন করে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রক্রিয়া ৩১ অগস্টের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময় পর্যন্ত চাকরিহারাদের বেতন দেওয়ার নির্দেশও ছিল।এর মধ্যেই নিয়োগের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। চাকরিহারা শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডলের দাবি, নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগের ভেরিফিকেশন চলছিল। পাশাপাশি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের কাউন্সেলিংও চলছিল। কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ওই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।কেন ভেরিফিকেশন বন্ধ করা হল, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। জানা গিয়েছে, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম কার্যকর করার বিষয়টি নিয়েই এই মুহূর্তে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকারের নতুন সংরক্ষণ বিধি কী ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কমিশন।মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে স্কুল সার্ভিস কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, ৩১ অগস্টের মধ্যে ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই নিয়োগ সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না।কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও সময় চাওয়া হবে। কতদিন সময় চাওয়া হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সংরক্ষণ নীতি কী ভাবে কার্যকর করা হবে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।নতুন করে নিয়োগের জন্য যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও এখন সংশয় তৈরি হয়েছে। ভেরিফিকেশন এবং কাউন্সেলিং থেমে যাওয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা স্পষ্ট নয়।ফলে একদিকে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা, অন্যদিকে সংরক্ষণ নীতি নিয়ে প্রশাসনিক ও আইনি জটদুইয়ের মাঝে আটকে রয়েছে ২৬ হাজার নিয়োগের ভবিষ্যৎ। এখন সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে অতিরিক্ত সময় দেয় কি না, সেই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরের পর কলকাতাতেও মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ, ভিড়ের মধ্যে থেকে উঠল সেই স্লোগান

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ফের বিক্ষোভের অভিযোগ। হালিশহরের ঘটনার পর এবার খাস কলকাতায় একই ধরনের স্লোগান শুনতে হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। মঙ্গলবার শ্যামবাজারে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে চোর, চোর স্লোগানের মুখে পড়েন তিনি।নেতাজির মূর্তির পাদদেশে ক্ষুদিরাম বসুর ছবি হাতে নিয়ে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষুদিরাম বসুকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী এবং মাতঙ্গিনী হাজরার কথাও স্মরণ করেন তিনি। মমতা বলেন, এই সংগ্রামীদের কোনও দিন ভোলা যাবে না। তাঁর দাবি, শুধু দেখানোর জন্য নয়, হৃদয় থেকেই এই সমস্ত মহান ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির মূর্তিতে মালা দেওয়ার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। আচমকা ভিড়ের মধ্যে থেকে চোর, চোর স্লোগান উঠতে শুরু করে বলে অভিযোগ। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কর্মীরাই মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। যদিও ঘটনাস্থলে থাকা এক ব্যক্তির বক্তব্য, মমতা মালা দেওয়ার সময় তাঁরা কোনও স্লোগান দেননি। পরে তাঁরা স্লোগান দেন বলে জানান তিনি।বিক্ষোভের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। তবে তাঁর গাড়ি চলে যাওয়ার পরেও কিছুক্ষণ স্লোগান ও বিক্ষোভ চলতে দেখা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়।এই ঘটনার আগে রবিবার হালিশহরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভের অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা করেছিল, তবে তিনি জনরোষের মুখে পড়েছিলেন।হালিশহরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার শ্যামবাজারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিতে একই স্লোগান ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হল। ঘটনাটি ঘিরে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গলমহল নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচায় নতুন আইন, আর কী করতে চলেছে সরকার?

বাঁকুড়ায় সাত জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জঙ্গলমহলের উন্নয়ন থেকে সীমান্তবর্তী এলাকার সমস্যা, আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন তিনি।মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় সাতটি জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গত তিন মাসে তাঁর সরকার কী কী কাজ করেছে এবং আগামী দিনে কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে, তার একটি হিসাব তুলে ধরেন তিনি।জঙ্গলমহল এবং প্রান্তিক ও সীমান্তবর্তী এলাকার উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে জঙ্গলমহলের আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিদেশি অর্থের সাহায্যে ধর্মান্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন এবং এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।সাংবাদিক বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। সীমান্ত এলাকায় জমি হস্তান্তর, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকা সংশোধন, ইমাম-মোয়াজ্জেম ভাতা বাতিল এবং গো-সুরক্ষার মতো একাধিক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন তিনি। মহরমের সময় তলোয়ার নিয়ে মিছিল বা প্রদর্শনের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।এরপরই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তিনি জানান, কিছুদিনের মধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হবে। একইসঙ্গে এক দেশ, এক প্রধান, এক রাজ্য, এক মুখ্যমন্ত্রী, এক আইন-এর কথাও বলেন তিনি।ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা নিয়েও নতুন আইনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আরও দুটি কাজ তাঁর বাকি রয়েছে। তার মধ্যে ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত আইন আনার বিষয়টি রয়েছে।তবে শুধু আইন বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, জঙ্গলমহলের উন্নয়নকেও আগামী দিনের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। আগামী তিন মাসের জন্য এই এলাকার উন্নয়ন নিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরির কথাও জানিয়েছেন তিনি।বাঁকুড়ার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচা নিয়ে প্রস্তাবিত আইন কেমন হবে এবং কবে তা কার্যকর হবে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজের ‘১০০ কোটির’ সম্পত্তির হদিশ! তোলাবাজির অভিযোগের তদন্তে এবার নজরে ৩০টি সম্পত্তি

দেবরাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে তদন্তে আরও তথ্য সামনে আসছে। সিন্ডিকেট চক্র চালানো এবং তোলাবাজির মতো একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এই তৃণমূল নেতার প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জানানো হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দেবরাজ চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে ঘিরে গ্রেপ্তারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অদিতিকে আপাতত গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে দেবরাজ কোনও রক্ষাকবচ পাননি বলে জানা যায়। এরপর বেশ কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের অভিযোগ, রাজারহাট এবং আশপাশের এলাকায় সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে বিপুল টাকা তোলা হয়েছিল। গত কয়েক বছরে সেই টাকা ব্যবহার করে দেবরাজ বিপুল সম্পত্তি তৈরি করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে দমদম, নিউটাউন এবং বাগুইআটির মতো এলাকায় সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। উত্তরবঙ্গেও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই সম্পত্তিগুলির সবকটি সরাসরি দেবরাজের নামে রয়েছে কি না, তা এখনও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের অনুমান, পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠদের নাম ব্যবহার করে বেশ কিছু সম্পত্তি কেনা হয়ে থাকতে পারে। গত পাঁচ বছরে, অদিতি মুন্সি বিধায়ক থাকার সময়ে এই সম্পত্তিগুলির বেশিরভাগ তৈরি হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, ওই প্রায় ৩০টি সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা হতে পারে। সম্পত্তিগুলির মালিকানা, কেনার সময়, অর্থের উৎস এবং লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই সংক্রান্ত তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।দেবরাজের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে। সেই অভিযোগের সঙ্গে তাঁর সম্পত্তি বৃদ্ধির কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিই এখন তদন্তকারীদের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একই সঙ্গে কার নামে সম্পত্তি কেনা হয়েছিল এবং সেই সম্পত্তি কেনার টাকা কোথা থেকে এসেছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর মধ্যেই বারাসত আদালতে দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা বলে জানা গিয়েছে। এবার সম্পত্তির নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal